ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার পাচ্ছেন ইপিজেড শ্রমিকরা

ইপিজেড শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার দিয়ে সরকার ‘বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন’ নামে একটি নতুন আইন করতে যাচ্ছে। আজ সোমবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে আইনের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এটিই ছিলো বর্তমান সরকারের শেষ মন্ত্রিসভার বৈঠক।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন,  আজকের বৈঠকই ছিলো এ সরকারের শেষ মন্ত্রিসভার বৈঠক।

ইপিজেড শ্রম আইনের খসড়ার বিষয়ে সচিব বলেন, বিদ্যমান শ্রম আইনের সঙ্গে সংগতি রেখেই এ আইনের খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। আইনটি শিগগিরই রাষ্ট্রপতির আদেশের মাধ্যমে প্রজ্ঞাপন আকারে জারি হবে। প্রস্তাবিত এ আইনে একজন শ্রমিক ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত কাজ করতে পারবেন। চাকরির বয়স ২৫ হলে তিনি পেনশন সুবিধা পাবেন। এই আইনে শ্রমিকদের শ্রমিক কল্যাণ সমিতি গঠন করে নিজেদের কল্যাণে কাজ করতে পারবেন। এটি ট্রেড ইউনিয়নের মতোই। তবে ইপিজেড শ্রমিকদের জন্য এ নামটি দেওয়া হয়েছে। এতে মালিক ও শ্রমিক উভয়পক্ষের সম্মতি রয়েছে বলেও জানান তিনি।

মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, এ ছাড়াও আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকে বীমা করপোরেশন আইন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয় আইন এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট (সংশোধন) আইনের খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়।

এছাড়াও আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকে নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড, ২০১৮ এর সুপারিশ পেশ করে তথ্য মন্ত্রণালয়। আলোচনা শেষে মজুরি বোর্ডের বিষয়ে চূড়ান্ত সুপারিশ করতে পাঁচ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়। এ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী মজুরি বোর্ড গঠিত হবে বলে জানান সচিব।