প্রধান মন্ত্রী কে আলটিমেটাম দিল জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট

প্রেস টাইম ২৪ ঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিতীয় দফা সংলাপে যাওয়ার একদিন আগে আলটিমেটাম দিল বিএনপিকে নিয়ে ড. কামাল হোসেন নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

গতকাল বিকালে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আয়োজিত জনসভায় এই আলটিমেটাম দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সভাপতির বক্তব্যে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘এই সরকার যদি আজ বুধবার সংলাপে আমাদের সাত দফা দাবি-দাওয়া মেনে না নেয়, তাহলে ৮ নভেম্বর রাজশাহীতে যাত্রা শুরু করব রোডমার্চ করে। রাজশাহীতে ৯ নভেম্বর জনসভা হবে।

রাজশাহীর পর খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহে ঐক্যফ্রন্টের জনসভা। আর নির্বাচন কমিশন যদি সমঝোতার আগে তফসিল ঘোষণা করতে চায় তাহলে নির্বাচন কমিশন অভিমুখে পদযাত্রা হবে। এরপর আমরা আরও কর্মসূচি ঘোষণা করব।’ পদযাত্রা কর্মসূচি কবে হবে ঘোষণা না দিলেও ঐক্যফ্রন্টের নেতারা জানিয়েছেন, এই কর্মসূচি হবে ১০ নভেম্বর।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘সাত দফা দাবি আদায় না হলে আমাদের আপসহীনভাবে আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। ভোটের অধিকার আদায়ে পাহারাদার হতে হবে। সুষ্ঠু ভোট না হলে দেশের স্বাধীনতা আবারও বিপন্ন হবে।

’ সরকারের পদত্যাগ, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দীর নিঃশর্ত মুক্তিসহ সাত দফা দাবিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এই জনসভার আয়োজন করে। মির্জা ফখরুলের সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন। বেলা ২টায় কোরআন তেলাওয়াত, গীতা, বাইবেল ও ত্রিপিটক পাঠের মাধ্যমে এই জনসভা শুরু হয়।

জনসভা শেষ হয় সন্ধ্যা ৬টায়। দুপুরের আগেই মঞ্চের সামনে ও ডানে-বামে নেতা-কর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতিতে জনসভাস্থল ভরে যায়। হাজার হাজার মানুষের ঢল উদ্যান ছাড়িয়ে মৎস্যভবন থেকে শাহবাগ পর্যন্ত সড়কে গড়ায়। আশপাশের এলাকায় সাময়িকভাবে যান চলাচল বন্ধ হয়।

নেতা-কর্মীদের অনেকের হাতে দেখা যায়, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। সমাবেশে বিভিন্ন সময়ে খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে বিএনপি নেতা-কর্মীরা নানা স্লোগান দেন। জনসভায় বক্তব্য দেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল—জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব, কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সদস্য ও ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মুনসুর আহমেদ, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন,

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, জেএসডির তানিয়া রব, আবদুল মালেক রতন, এম এ গোফরান, গণফোরামের মোস্তফা মহসিন মন্টু, অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের এস এম আকরাম হোসেন, শহীদুল্লাহ কায়সার, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সুলতান মো. মনসুর আহমেদ, ২০-দলীয় জোটের শরিক বিজেপির আন্দালিব রহমান পার্থ, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, এলডিপির ড. রেদোয়ান আহমেদ, ইসলামী ঐক্যজোটের এম এ রকীব, খেলাফত মজলিশের আহমেদ আবদুল কাদের, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মাওলানা নূর হোসাইন কাশেমী, বিকল্পধারা বাংলাদেশ এর একাংশের অধ্যাপক নুরুল আমিন ব্যাপারী।

জনসভায় আরও বক্তব্য দেন, বিএনপি নেতা আবদুল্লাহ আল নোমান, জয়নাল আবেদীন, আমান উল্লাহ আমান, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ফজলুল হক মিলন, অঙ্গ সংগঠনের কাজী আবুল বাশার, আহসানউল্লাহ হাসান, আফরোজা আব্বাস, সাইফুল আলম নিরব, শফিউল বারী বাবু ও রাজীব আহসান। জনসভা পরিচালনা করেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সহপ্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিম, সহসাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মমিনুল ইসলাম, জেএসডির শফিকউদ্দিন আহমেদ স্বপন ও গণফোরামের মোশতাক আহমেদ। সরকারের বিরুদ্ধে জনগণকে শক্তভাবে দাঁড়াতে বলেছেন গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন।

তিনি বলেন, ‘দেশে যা হচ্ছে তা মেনে নেওয়া যায় না। আইনের শাসনের লঙ্ঘন করা হচ্ছে, যাকে তাকে যেনতেনভাবে জেলে নিয়ে অন্তরীণ করা হচ্ছে। এগুলো করে গণতন্ত্রের কথা বলা হয়,

তাকে যেনতেনভাবে জেলে নিয়ে অন্তরীণ করা হচ্ছে। এগুলো করে গণতন্ত্রের কথা বলা হয়, সংবিধানের কথা বলা হয়। সংবিধানকে ষোলো আনা উপেক্ষা করে ক্ষমতার অপব্যবহার হয়ে আসছে। এ থেকে আমাদের বাঁচার উপায় হলো দেশের মালিক জনগণকে দাঁড়াতে হবে, শক্তভাবে দাঁড়াতে হবে। আমি বলতে চাই, রাস্তা বন্ধ করে, বাস বন্ধ করে, লঞ্চ বন্ধ করে জনগণকে নিষ্ক্রিয় করা যাবে না। ইনশা আল্লাহ আমরা আমাদের অধিকার উদ্ধার করে ছাড়ব। জনগণ জেগেছে, দেশের মালিকরা জেগেছে। এই জাগরণের মধ্য দিয়ে আমরা দেশের মালিকানা ফিরে পাব, জনগণের জয় হবেই।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আজকে এই ‘পিজি হাসপাতালে’ ছোট্ট একটি কক্ষে আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া অসুস্থ অবস্থায় বন্দী কাটাচ্ছেন। আমি জানি না, জনগণের এই উচ্চারণ পৌঁছাচ্ছে কিনা। আমি বিশ্বাস করি, তিনি সেখান থেকে শুনছেন এবং বলছেন, এগিয়ে যাও, গণতন্ত্রের মুক্তির জন্য এগিয়ে যাও, বিজয় নিশ্চিত কর। কারাগারে যাওয়ার আগে তিনি বলে গেছেন, আমি কারাগারে যেতে ভয় পাই না। তিনি বলেছিলেন, গণতন্ত্রকে মুক্ত করার জন্য সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করবে। জাতীয় নেতাদেরকে আহ্বান জানাবে। আজকে আল্লাহর কাছে এই শুকরিয়া আদায় করছি, এই মঞ্চে জাতীয় নেতারা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি চাচ্ছেন, জনগণের মুক্তি চাচ্ছেন।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজ বুধবার একটা ছোট সংলাপের ডাক দিয়েছে। আমরা রাজি আছি। সংলাপে বিশ্বাস করি। আমরা চাই আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে জনগণের সমস্যার সমাধান হোক, জনগণ মুক্তি পাক। কিন্তু এটা নিয়ে নাটক করলে চলবে না। আপনাকে ছেড়ে দিতে হবে, সংসদ বাতিল করতে হবে। একই সঙ্গে নির্বাচনের জন্য একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নাই। আমরা আশা করব, আপনাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে, জনগণের স্বার্থে সাত দফা দাবি মেনে নেবেন।’

জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, ‘এই লড়াই মুক্তির লড়াই, এই লড়াই গণতন্ত্রের লড়াই, এই লড়াইয়ে জিততে হবে। প্রধানমন্ত্রীকে বলতে চাই, আমরা দাবি আদায় ছাড়া ঘরে ফিরব না। সাত দফা দাবি মেনে নিন। আর গায়েবি মামলা দেবেন না, কাউকে গ্রেফতার করবেন না, বেগম খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দীদের মুক্তি দিন। অন্যথায় খবর আছে।’ কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আমি বিএনপিতে যোগ দেইনি, আমি ড. কামাল হোসেনের ঐক্যফ্রন্টে যোগদান করেছি। আমি বলব, যদি আপনারা জিততে চান, তাহলে জয় আপনাদের হাতে। আর যদি হারতে চান তাও আপনাদের হাতে। যদি বিজয়ী হতে চান তাহলে নির্বাচন পর্যন্ত বিএনপি ভুলে যান। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পতাকা তলে হিমান্দ্রির মতো অন্তত পক্ষে সোজা হয়ে দাঁড়ান।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপির বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের অভিযোগ বিএনপি রাজকারের গাড়িতে বাংলাদেশের পতাকা তুলে দিয়েছে। অভিযোগ সত্য নয়। আওয়ামী লীগে প্রথম শরিষাবাড়ীর নুরু মাওলানার গাড়িতে পতাকা তুলেছে। আওয়ামী লীগ রাজাকার মহিউদ্দিনের গাড়িতে পতাকা তুলেছে, আওয়ামী লীগের আশিকুর রহমানের গাড়িতে পতাকা তুলেছে। গত ৪ তারিখ প্রধানমন্ত্রী এখানে এসেছেন। আল্লামা শফী ভুলে যেতে পারেন। আমি কাদের সিদ্দিকী ভুলি নাই, শাপলা চত্বরে ইমাম-ওলামাদের কীভাবে রক্ত ঝরিয়েছে। এই রক্তের বদলা না দিলে আমরা বেইমানে পরিণত হব। এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আমরা বঙ্গবন্ধুর ঘোষণায় স্বাধীনতা এনেছিলাম, আজকে বলে যাচ্ছি, ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে আমরা এই উদ্যান থেকে গণতন্ত্রকে মুক্ত করব, বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করব।’

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘জনগণ গণতন্ত্রের পক্ষে। গণতন্ত্রের পক্ষে আমরা সংলাপে যাব, কথা বলব। আপনাদের সব প্রাণের দাবি তার (প্রধানমন্ত্রী) কাছে দেব। আমাদের একটাই দাবি, আপনারা সংবিধানের বাইরে বলে পদত্যাগ করেন, সংবিধানের মধ্যে যদি থাকতে চান সংসদ বাতিল করে দেন। নতুন যে সরকার হবে তাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থাকতে পারবেন না। দেশে নির্বাচন হবে, জনগণের বিজয় হবে, সেই বিজয়ের লক্ষ্যে আপনাদের আগাম জানালাম। যদি সরকার দাবি না মানে তাহলে কী করবে? এই সভা থেকে এই মঞ্চ থেকে জানাব এখান থেকে শাপলা চত্বর পর্যন্ত যত রাজপথ আছে প্রকম্পিত করে আমাদের দাবি আদায় করব।’ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘সাত দফা দাবিতে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ। প্রথম সংলাপ কোনো কাজের সংলাপ হয় নাই। আমরা বুধবার আবার যাচ্ছি। আমরা কোনো ঝগড়া করতে চাই না। আমরা বলতে চাই, আগামী দিনে সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের ব্যবস্থা নিতে হবে। তা নাহলে আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।’

স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, ‘আমরা সংলাপে এখনো কোনো কিছু পাই নাই। সরকার যদি সংলাপের মাধ্যমে ও সমঝোতার মাধ্যমে না আসে তা হলে রাজপথ ও আন্দোলন ছাড়া আমাদের কোনো বিকল্প থাকবে না। আপনারা প্রস্তুত হোন। এই জনসভা যথেষ্ট নয়। আজকে ২/৩/৪ লাখ মানুষ আছেন। আপনারা যদি মাঠে নামেন এই সরকারের পতন ২৪ ঘণ্টায় হবে। সেই দিনের জন্য আপনাদের প্রস্তুতি নিতে বলছি।’

স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে প্যারোলে নয় পূর্ণাঙ্গ মুক্তি দিতে হবে। আর লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে সংসদকে ভেঙে দিতে হবে।’ স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, ‘সাত দফা বাস্তবায়ন ছাড়া দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তিরও বিকল্প নেই।’ স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমরা আন্দোলন করছি, ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য। আন্দোলন করে সরকারকে জায়গা মতো পাঠিয়ে দেওয়া হবে।’ স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আজ বেগম জিয়া কারাগারে, গণতন্ত্র নিখোঁজ। খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য কোনো অনুকম্পা নয়, প্যারোলে মুক্তি চাই না। আন্দোলনের মাধ্যমেই মুক্তি লাভ করবেন বেগম জিয়া। সাত দফা দাবি সরকারকে মেনে নিতেই হবে। নইলে শহীদ জিয়ার সৈনিকেরা জীবন দিতেও প্রস্তুত।’

গণস্বাস্থ্যের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘উন্নয়নের জোয়ারে তাদের চোখে ছানি পড়েছে, কানে শুনতে পারে না। উন্নয়ন ও দুর্নীতির কারণে তাদের উচ্চ রক্ত চাপ বেড়ে গেছে। এর থেকে উত্তরণে সবাইকে এক হতে হবে। আর চুপ করে বসে থাকা যাবে না।’

জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতা সুলতান মুনসুর বলেন, ‘আমরা সংলাপে আছি। আমরা জনগণকে বলতে চাই, সোজা আঙ্গুলে ঘি উঠবে না, আঙ্গুল বাঁকা করতে হতে পারে। সবাই প্রস্তুতি নিন। এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ৭ মার্চের ভাষণ দিয়েছিলেন, এই মাঠেই পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল। এই মাঠেই আমাদের প্রত্যয়, ইনশা আল্লাহ জনগণের ?মুক্তি সংগ্রামে দেশের জনগণ বিনা ভোটের সরকারের পতন ঘটাবে। আমরা বিজয় হবই ইনশা আল্লাহ।’ জনসভায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা-নেত্রীর মধ্যে সেলিমা রহমান, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, আবদুল মান্নান, বরকত উল্লাহ বুলু, মো. শাহজাহান, শামসুজ্জামান দুদু, মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন, মাহমুদুল হাসান, রুহুল আলম চৌধুরী, আহমেদ আজম খান, অধ্যাপক ডা. এ জে এম জাহিদ হোসেন, নিতাই রায় চৌধুরী, জয়নুল আবদিন ফারুক, লুত্ফুর রহমান খান, আবুল খায়ের ভুঁইয়া, আবদুস সালাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, ফরহাদ হালিম ডোনার, মাহবুবউদ্দিন খোকন, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, আহসান হাবিব দুলু, নজরুল ইসলাম মনজু, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, শামা ওবায়েদ, বিলকিস জাহান শিরিন, সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।