ইরাক ও কুয়েতে নতুন সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করবে আমেরিকা

মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের দাবি জোরদার হওয়া সত্ত্বেও মার্কিন সরকার ইরাক ও কুয়েতে নতুন সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করবে বলে খবর বেরিয়েছে।

ইরাকের ইরবিল-ভিত্তিক ‘বাসনিউজ’ জানিয়েছে, সিরিয়ার সীমান্তবর্তী দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় আনবার প্রদেশের আল-কায়িম শহরের কাছে আমেরিকা তার তৃতীয় সেনা ঘাঁটি স্থাপন করতে যাচ্ছে। বর্তমানে ইরাকে আমেরিকার দু’টি স্থায়ী ঘাঁটি রয়েছে।  এসব ঘাঁটি আনবার প্রদেশেরই আইন আল-আসাদ ও হাব্বানিয়া এলাকায় অবস্থিত।

সূত্র জানিয়েছে, আনবার প্রদেশের বেশ কিছু এলাকার পাশাপাশি বাগদাদ-দামেস্ক মহাসড়ক পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করবে নয়া মার্কিন সামরিক ঘাঁটি।

চলতি মাসের গোড়ার দিকে ইরাকে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডগলাস সিলিম্যান ও কুর্দিস্তান আঞ্চলিক সরকারের প্রধানমন্ত্রী নেচিরভান বারজানি ইরবিল শহরে আমেরিকার বৃহত্তম কনস্যুলেট ভবনের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

ইরবিলে মার্কিন কনস্যুলেট নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন (গত সপ্তাহের ছবি)

দুই লাখ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে এই মার্কিন কনস্যুলেট স্থাপন করতে ৬০ কোটি ডলার খরচ হবে। আগামী চার বছরে এটির নির্মাণ কাজ শেষ হবে।

এদিকে, কুয়েতের আর-রাই পত্রিকা জানিয়েছে, আমেরিকা খুব শিগগিরই পারস্য উপসাগরীয় ছোট্ট এই দেশটির একমাত্র আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে একটি বড় ধরনের বিমান ঘাঁটি স্থাপন করবে। মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে মার্কিন বিমান বাহিনীর তৎপরতা পর্যবেক্ষণ ও রসদ সরবরাহের কাজ করবে এই ঘাঁটি।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর জনগণ তাদের দেশে মার্কিন সেনা উপস্থিতির ঘোর বিরোধী। কিন্তু এসব দেশের তাবেদার রাজা-বাদশাহরা ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য তাদের দেশে আমেরিকাকে যা খুশি তাই করার অনুমতি দিয়ে রেখেছে। সাম্রাজ্যবাদী মার্কিন সরকার সেই অনুমতির সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করছে।