সাতক্ষীরায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই জন নিহত

সাতক্ষীরায় পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। শনিবার মধ্যরাতে সদর উপজেলার বাঁশদহা সীমান্তের কয়ারবিল ব্রিজের পাশে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁশদহা গ্রামের আব্দুল গণির ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৩৮) ও কলারোয়া উপজেলার কেড়াগাছি গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে আবুল কালাম আজাদ (৪০)। তারা দুজনেই আন্তঃজেলা মাদক ব্যবসায়ী বলে জানিয়েছে পুলিশ।তাদের বিরুদ্ধে কয়েকটি মাদক মামলাও রয়েছে বলে জানা গেছে।

এঘটনায় পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন এসআই রিয়াদুল, এএসআই সুমন, এএসআই মাজেদুল ও দুই কনস্টেবল রুবায়েত ও তুহিন।

ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শুটার গান, এক রাউন্ড গুলি ও বেশকিছু মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ আহমেদ জানান, শনিবার বিকালে মাদক ব্যবসায়ী দেলোয়ার ও আবুল কালামকে কিছু গাঁজা ও ফেনসিডিলসহ গোয়েন্দা পুলিশ বাঁশদহা বাজার থেকে আটক করে। রাতে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তারা স্বীকার করে যে আজ রাতে মাদকের একটি বড় চালান ভারত থেকে আসবে। তাদেরকে নিয়ে মাদকের চালান উদ্ধারে যায় পুলিশ।

ওসি আরো জানান, বাঁশদহার কয়ার বিল এলাকায় পৌঁছাতেই আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা তাদের সহযোগীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি ছুড়ে। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়ে। গোলাগুলির এক পর্যায়ে তাদের দুজনকে গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়।

স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ তাদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত দেলোয়ার হোসেনের ভাই তবিবর রহমান বলেন, শনিবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে বাঁশদহা বাজারের পাশে দেলোয়ারের বিশুদ্ধ পানি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে একদল পুলিশ তাকে তুলে নিয়ে যায়। এ সময় বাঁশদহা বাজারের অনেকেই তা দেখেন। রাতে পুলিশ তাকে মাদকসহ গ্রেফতার ও পুলিশের উপর কথিত হামলার নাটক সাজিয়ে গুলি করে হত্যা করেছে। আমরা এ হত্যার সুষ্ঠ তদন্ত ও বিচারের দাবী করি।

এদিকে আহত পুলিশ সদস্যদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান।