আমেরিকা ও ইসরাইল জবাব পাবে: ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার আলী লারিজানি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, তার দেশের পরমাণু সমঝোতাকে দুর্বল করা এবং তেল আবিব থেকে বায়তুল মুকাদ্দাসে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তরের যে পদক্ষেপ আমেরিকা ও ইসরাইল নিয়েছে তার জবাব দেয়া হবে।

আজ (সোমবার) তেহরানে মুসলিম দেশগুলোর আন্তঃসংসদীয় ইউনিয়নের ফিলিস্তিন বিষয়ক স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠকে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।

ইহুদিবাদী ইসরাইল ১৯৬৭ সালে জেরুজালেম-খ্যাত বায়তুল মুকাদ্দাস শহর দখল করে নেয় এবং আজ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সমাজ এই দখলদারিত্বকে স্বীকৃতি দেয়নি। কিন্তু মার্কিন সরকার গায়ের জোরে এই শহরে আজ নিজের দূতাবাস খুলতে যাচ্ছে।

লারিজানি বলেন, “আমেরিকা ও ইহুদিবাদী ইসরাইলের জানা উচিত, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি এবং ফিলিস্তিনি ইস্যুতে তাদের পদক্ষেপকে বিনা জবাবে ছেড়ে দেয়া হবে না।”

জরুরি বৈঠকের মঞ্চে উপবিষ্ট আলী লারিজানি (বামে)

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে গত মঙ্গলবার ইরানের পরমাণু সমঝোতা থেকে একতরফাভাবে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।  এর আগে গত ডিসেম্বরে ট্রাম্প ইসরাইলস্থ মার্কিন দূতাবাস তেল আবিব থেকে বায়তুল মুকাদ্দাসে স্থানান্তরের ঘোষণা দেন যা আজ বাস্তবায়িত হচ্ছে।

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার এ সম্পর্কে আরো বলেন, “মার্কিন সরকার কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে মারাত্মক সংকটে ভুগছে এবং দেশটি আন্তর্জাতিক ইস্যুগুলোতে অপরিপক্ক ও হঠকারি সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।”

ড. লারিজানি ফিলিস্তিনিদের ইসরাইল বিরোধী বিক্ষোভের কথা উল্লেখ করে বলেন, ফিলিস্তিনিরা প্রতিরোধ না করলে ইহুদিবাদী ইসরাইল এতদিনে আরো বহু আরব দেশ দখল করে নিত।